ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক গোলাবর্ষণ, বাড়ছে হতাহত

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলা ও ধ্বংসাত্মক অভিযান আরও তীব্র হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বেসামরিক স্থাপনা ও চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

দক্ষিণাঞ্চলের স্রিফা শহরে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন প্যারামেডিক গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এছাড়া বিন্ত জবেইল ও চামা এলাকায় হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সম্মুখ যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েলি বাহিনী ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও বসতবাড়ি ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

লেবানন সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪০ জনেরও বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক আহ্বান সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে সামরিক তৎপরতা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আকাশজুড়ে ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি লেবাননের এই সীমান্ত অঞ্চলকে এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দুর্নীতি করলে বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি’: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক গোলাবর্ষণ, বাড়ছে হতাহত

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলা ও ধ্বংসাত্মক অভিযান আরও তীব্র হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বেসামরিক স্থাপনা ও চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

দক্ষিণাঞ্চলের স্রিফা শহরে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন প্যারামেডিক গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এছাড়া বিন্ত জবেইল ও চামা এলাকায় হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সম্মুখ যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েলি বাহিনী ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও বসতবাড়ি ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

লেবানন সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪০ জনেরও বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক আহ্বান সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে সামরিক তৎপরতা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আকাশজুড়ে ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি লেবাননের এই সীমান্ত অঞ্চলকে এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে।