ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে ৮ হাজার প্রাণ: ধ্বংসাবশেষ সরাতে লাগবে ৭ বছর

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় মানবিক বিপর্যয় চরম আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গাজার বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়া ভবনের নিচে এখনো অন্তত ৮ হাজার ফিলিস্তিনির মরদেহ চাপা পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে এই বিপুল সংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।

জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাজায় বর্তমানে প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ জমে আছে। এই বিশাল পরিমাণ আবর্জনা পরিষ্কার করতে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে যে গতিতে কাজ চলছে, তাতে এই ধ্বংসস্তূপ সরাতে অন্তত সাত বছর সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় নতুন করে আরও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই আগ্রাসনে গাজায় নিহতের মোট সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যা পৌনে দুই লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি ঘটছে এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দুর্নীতি করলে বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি’: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে ৮ হাজার প্রাণ: ধ্বংসাবশেষ সরাতে লাগবে ৭ বছর

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় মানবিক বিপর্যয় চরম আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গাজার বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়া ভবনের নিচে এখনো অন্তত ৮ হাজার ফিলিস্তিনির মরদেহ চাপা পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে এই বিপুল সংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।

জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাজায় বর্তমানে প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ জমে আছে। এই বিশাল পরিমাণ আবর্জনা পরিষ্কার করতে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে যে গতিতে কাজ চলছে, তাতে এই ধ্বংসস্তূপ সরাতে অন্তত সাত বছর সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় নতুন করে আরও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই আগ্রাসনে গাজায় নিহতের মোট সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যা পৌনে দুই লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি ঘটছে এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।