ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ব্যাপক জাল ভোট প্রদান এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলThe election has been criticized for not being fair, impartial, and acceptable. The organization has claimed that election irregularities have made the results questionable.
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে অসামঞ্জস্যতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে জাল ভোট প্রদান সম্ভব হয়েছে, যা নির্বাচন কমিশন প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়াও, বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ঢুকে ভোট টেম্পারিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে। অনেক ভোটার ভোট দিতে এসে দেখেন যে তাদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব পরিলক্ষিত হয়েছে। ঐতিহ্য ও নিয়ম অনুযায়ী, দুটি প্যানেলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনোনীত হন এবং উভয় প্যানেল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
তার দাবি, বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের প্রাধান্য রেখে কমিশন গঠন করা হয়েছিল, যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে আবেদন জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণের সময় ভোটার যাচাই-বাছাই সঠিকভাবে না করা, ভোটার স্লিপ ছাড়াই ব্যালট পেপার প্রদান এবং একাধিক ক্ষেত্রে ভোটারদের আগেই ভোট প্রদান করার মতো অভিযোগ রয়েছে।
সামগ্রিক অনিয়ম ও পক্ষপাতের কারণে আইনজীবীদের কাছে এই নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হয়নি। ভোট গণনার সময়ও অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
তবে, যারা ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলThe organization pledged to always stand by the side of lawyers in their fight for fair rights. The statement further urged lawyers to be vigilant against those who have undermined the democratic process and prevented the true reflection of voters’ mandate.
রিপোর্টারের নাম 
























