ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

নিজেকে দেশ গড়ার শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত করতে চাই: তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনারা যেমন বিভিন্ন খাতে কাজ করেন, আমিও নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে আপনাদের কাতারে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। আমি নিজেকে দেশ গড়ার একজন শ্রমজীবী হিসেবে নিয়োজিত করতে আগ্রহী। শুধু তাই নয়, মন্ত্রী পরিষদের সকল সদস্যের নামও শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। দেশের মানুষ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাদের সাথে এবং পাশে থেকে আমরাও দেশকে গড়ে তুলতে চাই, বলেন তিনি।

শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের শিল্প-কারখানাগুলোকে ধীরে ধীরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এক পর্যায়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যেসব কল-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তারেক রহমান বলেন, শুধু বন্ধ কল-কারখানা চালু হলেই সকল শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে না। দেশে লক্ষ লক্ষ বেকার রয়েছে। তাদের জন্য দেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

তিনি দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনা শুরু করেছেন এবং তাদের উৎসাহ প্রদান করছেন। বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তারা দেশে কল-কারখানা স্থাপন করে। কল-কারখানা স্থাপিত হলে দেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। শ্রমিকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে। একইভাবে, কৃষকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।

ঢাকার বিভিন্ন সড়কে যানজট ও জনভোগান্তি কমাতে হকার উচ্ছেদ করা হলেও তাদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, হকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে হকারদের নির্ধারিত স্থানে পুনর্বাসন করা হবে, যাতে তারা নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে ইয়াবাসহ জেলা তাঁতীদল নেতা আটক, সহযোগীও গ্রেপ্তার

নিজেকে দেশ গড়ার শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত করতে চাই: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনারা যেমন বিভিন্ন খাতে কাজ করেন, আমিও নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে আপনাদের কাতারে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। আমি নিজেকে দেশ গড়ার একজন শ্রমজীবী হিসেবে নিয়োজিত করতে আগ্রহী। শুধু তাই নয়, মন্ত্রী পরিষদের সকল সদস্যের নামও শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। দেশের মানুষ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাদের সাথে এবং পাশে থেকে আমরাও দেশকে গড়ে তুলতে চাই, বলেন তিনি।

শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের শিল্প-কারখানাগুলোকে ধীরে ধীরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এক পর্যায়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যেসব কল-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তারেক রহমান বলেন, শুধু বন্ধ কল-কারখানা চালু হলেই সকল শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে না। দেশে লক্ষ লক্ষ বেকার রয়েছে। তাদের জন্য দেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

তিনি দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনা শুরু করেছেন এবং তাদের উৎসাহ প্রদান করছেন। বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তারা দেশে কল-কারখানা স্থাপন করে। কল-কারখানা স্থাপিত হলে দেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। শ্রমিকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে। একইভাবে, কৃষকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।

ঢাকার বিভিন্ন সড়কে যানজট ও জনভোগান্তি কমাতে হকার উচ্ছেদ করা হলেও তাদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, হকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে হকারদের নির্ধারিত স্থানে পুনর্বাসন করা হবে, যাতে তারা নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।