দীর্ঘ ১৫ বছরের সফল কর্মজীবনের ইতি টেনে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এই দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান জন টার্নাসের কাছে। কুক এক বিবৃতিতে বলেন, অ্যাপলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং এমন একটি অসাধারণ প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়া তার জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি।
তবে পদ ছাড়লেও টিম কুক অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন এবং এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এটি প্রযুক্তি বিশ্বে একটি পরিচিত প্রক্রিয়া, যা আমাজনের জেফ বেজোস এবং নেটফ্লিক্সের রিড হেস্টিংসও অনুসরণ করেছিলেন। অ্যাপলের পরবর্তী সিইও জন টার্নাস (৫০) গত ২৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িত এবং গত পাঁচ বছর ধরে আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকের প্রকৌশল কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেছেন, যা তাকে এই পদের জন্য অন্যতম প্রধান প্রার্থী করে তুলেছিল। তিনি এই সুযোগ পেয়ে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে যখন বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে, ঠিক সেই সময়ে অ্যাপলের এই শীর্ষ নেতৃত্ব পরিবর্তন ঘটছে। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন উন্মোচনের পর থেকে বর্তমানে এআই-এর প্রভাবে শিল্পখাতে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। যদিও অ্যাপল এআই-এর ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে এবং নতুন ফিচার বাস্তবায়নে বিলম্বের পর চলতি বছর আইফোনের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরি-কে আরও কার্যকর করতে গুগলের সহায়তা নিতে হয়েছে। স্টিভ জবসের রেখে যাওয়া উদ্ভাবন ও আইফোনের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে টিম কুক অ্যাপলকে অভাবনীয় উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা অ্যাপল টিম কুকের হাত ধরে অকল্পনীয় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে।
রিপোর্টারের নাম 























