ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজারের গুরুত্ব: ডিএসই’র ইতিবাচক মূল্যায়ন

নতুন করে ক্ষমতায় আসা সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই এই মন্তব্য করে।

বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারের সক্রিয় আগ্রহ ও আন্তরিকতা সাম্প্রতিক বিভিন্ন নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো পুঁজিবাজার-বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ এবং অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্যে পুঁজিবাজারের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ বাজার-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ও ইতিবাচক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারে প্রস্তাবিত বাজেটে গৃহীত উদ্যোগ দেশের পুঁজিবাজারের আধুনিকায়নে একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ। এই উদ্যোগের ফলে বাজার পরিচালনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং একটি সমন্বিত, কার্যকর ও শক্তিশালী বাজার অবকাঠামো গড়ে উঠবে, যা দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এনআইটিএ হিসাব পরিচালনা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, এই উদ্যোগ পুঁজিবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারের গভীরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডিএসই ইতোমধ্যে বিদ্যমান টি+২ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা থেকে টি+১ এবং পর্যায়ক্রমে টি+০ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে লেনদেন নিষ্পত্তি আরও দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত বাজার অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

পুঁজিবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের গৃহীত উদ্যোগ ও বিশেষ গুরুত্বারোপের জন্য ডিএসই চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, সরকারের ধারাবাহিক মনোযোগ, কার্যকর নীতিগত সহায়তা এবং সময়োপযোগী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ দেশের পুঁজিবাজারকে আগামী দিনে আরও গতিশীল, গভীর ও বিনিয়োগবান্ধব করে তুলবে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ় করবে এবং বাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও মজবুত করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মিরাজকে রেখেই বাংলাদেশের অপরিবর্তিত দল ঘোষণা

জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজারের গুরুত্ব: ডিএসই’র ইতিবাচক মূল্যায়ন

আপডেট সময় : ০৯:৩০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

নতুন করে ক্ষমতায় আসা সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই এই মন্তব্য করে।

বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারের সক্রিয় আগ্রহ ও আন্তরিকতা সাম্প্রতিক বিভিন্ন নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো পুঁজিবাজার-বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ এবং অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্যে পুঁজিবাজারের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ বাজার-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার ও ইতিবাচক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারে প্রস্তাবিত বাজেটে গৃহীত উদ্যোগ দেশের পুঁজিবাজারের আধুনিকায়নে একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ। এই উদ্যোগের ফলে বাজার পরিচালনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং একটি সমন্বিত, কার্যকর ও শক্তিশালী বাজার অবকাঠামো গড়ে উঠবে, যা দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এনআইটিএ হিসাব পরিচালনা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, এই উদ্যোগ পুঁজিবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারের গভীরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডিএসই ইতোমধ্যে বিদ্যমান টি+২ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা থেকে টি+১ এবং পর্যায়ক্রমে টি+০ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে লেনদেন নিষ্পত্তি আরও দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত বাজার অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

পুঁজিবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের গৃহীত উদ্যোগ ও বিশেষ গুরুত্বারোপের জন্য ডিএসই চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, সরকারের ধারাবাহিক মনোযোগ, কার্যকর নীতিগত সহায়তা এবং সময়োপযোগী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ দেশের পুঁজিবাজারকে আগামী দিনে আরও গতিশীল, গভীর ও বিনিয়োগবান্ধব করে তুলবে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ় করবে এবং বাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও মজবুত করবে।