ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দিচ্ছে সরকার

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো বা অফডক খাতে বিদেশি বিনিয়োগের পথ আরও প্রশস্ত করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। বর্তমানে প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী, এই খাতে বিদেশি বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৪৯ শতাংশ নির্ধারিত থাকলেও আসন্ন বাজেটে এই বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯টি বেসরকারি অফডক সচল রয়েছে, যা বন্দরের বর্ধিত অংশ হিসেবে রপ্তানি পণ্য এবং নির্দিষ্ট কিছু আমদানি পণ্য হ্যান্ডলিং করে থাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, মালিকানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় বিদেশি কোম্পানিগুলো এই খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে না। এই সংকট কাটাতে সরকার শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে।

তবে সরকারের এই উদ্যোগ নিয়ে বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, বিদেশি বিনিয়োগ এলে বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হবে এবং সেবার মান বাড়বে। অন্যদিকে, সঠিক তদারকি না থাকলে এবং অন্যান্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর না করলে শুধু বিনিয়োগের সীমা বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাকাশে ১০০ কোটি টন প্লাজমা মেঘের তাণ্ডব: পৃথিবী কি সুরক্ষিত?

বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো বা অফডক খাতে বিদেশি বিনিয়োগের পথ আরও প্রশস্ত করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। বর্তমানে প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী, এই খাতে বিদেশি বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৪৯ শতাংশ নির্ধারিত থাকলেও আসন্ন বাজেটে এই বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯টি বেসরকারি অফডক সচল রয়েছে, যা বন্দরের বর্ধিত অংশ হিসেবে রপ্তানি পণ্য এবং নির্দিষ্ট কিছু আমদানি পণ্য হ্যান্ডলিং করে থাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, মালিকানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় বিদেশি কোম্পানিগুলো এই খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে না। এই সংকট কাটাতে সরকার শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে।

তবে সরকারের এই উদ্যোগ নিয়ে বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, বিদেশি বিনিয়োগ এলে বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হবে এবং সেবার মান বাড়বে। অন্যদিকে, সঠিক তদারকি না থাকলে এবং অন্যান্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর না করলে শুধু বিনিয়োগের সীমা বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকে।