ইরান-সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সম্ভাব্য পাকিস্তান সফর ঘিরে হোয়াইট হাউসের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান যে, ভ্যান্স ইসলামাবাদ সফরে যাচ্ছেন। তার সাথে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারও থাকবেন।
তবে এর আগে রবিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবিসি নিউজকে বলেছিলেন, ভ্যান্স এই সফরে যাচ্ছেন না। তিনি উল্লেখ করেন, অল্প সময়ের নোটিশে ভাইস প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে সিক্রেট সার্ভিস উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প বলেন, “জেডি অসাধারণ, কিন্তু এত অল্প সময়ের নোটিশে এই সফর সম্ভব ছিল না।”
সারাদিন ধরে এই বিভ্রান্তি আরও বাড়ে, যখন এবিসি নিউজ, অ্যাক্সিওস এবং মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট ভিন্ন ভিন্নভাবে ইঙ্গিত দেন যে, ট্রাম্পের বক্তব্যের বিপরীতে ভ্যান্সই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে পারেন।
এদিকে, ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, যদি তারা প্রস্তাবিত চুক্তিতে সই না করে, তবে “পুরো দেশটি উড়িয়ে দেওয়া হবে।” তিনি এই প্রস্তাবকে “একটি অত্যন্ত সহজ চুক্তি” হিসেবে উল্লেখ করে এটিকে ইরানের “শেষ সুযোগ” বলেও অভিহিত করেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বজায় থাকা অবস্থায় আলোচনার জন্য পাকিস্তানে কোনো প্রতিনিধি দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নৌ-অবরোধ যতক্ষণ কার্যকর থাকবে, ততক্ষণ কোনো আলোচনা হবে না।
রিপোর্টারের নাম 

























