বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত চক্ষুসেবা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথলিন শেরউইন। সম্প্রতি সিলেটের জাফলং চা বাগান পরিদর্শনকালে তিনি এই আহ্বান জানান এবং সেখানে পরিচালিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে চক্ষু পরীক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
শেরউইন বলেন, চা শ্রমিকরা প্রায়শই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে চক্ষুসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে চক্ষু পরীক্ষা কার্যক্রম বাড়ানো এবং সময়মতো চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব রোধ করা সম্ভব। এতে তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।
পরিদর্শনকালে, প্রশিক্ষিত কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীরা কীভাবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চক্ষু পরীক্ষা করছেন, দৃষ্টি সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করছেন এবং পরবর্তী রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য সঠিক প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন, তা তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরাসরি চক্ষুসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন অরবিস প্রধান।
এসময় অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিস এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সহযোগী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান নয়ন-এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, শেরউইন সিলেটে অরবিসের সহযোগী হাসপাতাল ইনক্লুসিভ আই হসপিটাল পরিদর্শন করেন এবং চক্ষুসেবা প্রদান ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে ডাক্তার ও কর্মীদের সাথে আলোচনা করেন। তিনি কম্প্রিহেনসিভ ক্যাটারাক্ট সার্ভিসেস প্রজেক্ট (সিসিএসপি)-এর কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন, যা দেশের বৃহত্তম চলমান ছানি সেবা কার্যক্রম। এই প্রকল্পের আওতায় দুই বছরের মধ্যে ১ লক্ষ ছানি অপারেশন এবং ১০ লক্ষ চক্ষু পরীক্ষা করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এটি ৫৯টি জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এছাড়াও, শেরউইন আমুন্ড ফাউন্ডেশনের সহায়তায় জৈন্তাপুরে প্রতিষ্ঠিত একটি উইমেন-লেড গ্রিন ভিশন সেন্টার পরিদর্শন করেন, যা অরবিস ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে চালু একটি নতুন মডেল।
রিপোর্টারের নাম 

























