সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মো. আলমাছ সরদার ফরিদের পরিবার তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছেন। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বালিথুবা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন নিহত ফরিদ।
ফরিদ, যিনি চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইলশেপাড়া পত্রিকার সংবাদদাতা ও ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আবু তালেব সরদারের ছোট ছেলে, গত ২৪ মার্চ থেকে তার পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অব রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় আড়াই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গত বুধবার বিকেলে ফরিদের বাবার মোবাইল ফোনে সৌদি আরব থেকে মৃত্যুর খবরটি জানানো হয়। ফোনের ওপাশ থেকে বলা হয়, গত ২৪ মার্চ রিয়াদে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদ মারা যান।
সাংবাদিক আবু তালেব সরদার বলেন, আমার ছেলে সৌদি আরবে একটি কফি হাউজে শ্রমিকের কাজ করত। সে দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। অনেক আশা-ভরসা নিয়ে তাকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলাম। সে পরিবারের হাল ধরবে। কিন্তু গত ২০ দিন আগে ছেলের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ২০ দিন পর বিকেলে ছেলের মোবাইল ফোনে তার মৃত্যুর খবর পেয়েছি। আমার সন্তানের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।
সাংবাদিক আবু তালেব সরদারের ছেলের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ফরিদগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম ফরহাদ। এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
রিপোর্টারের নাম 

























