চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ হাসানকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগে মাস্টার রোলে অফিস সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার পর সম্প্রতি তাকে পুনর্বহাল করার জন্য জেলা বিএনপি নেতাদের সুপারিশ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নাহিদ হাসান সংগঠন পরিচালনার পাশাপাশি ঠিকাদারি পেশায়ও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ৯ মার্চ ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা দলের নেত্রী শাহানাজ খাতুন বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করে জানান যে, নাহিদ হাসান একজন ফ্যাসিস্ট ও আওয়ামী লীগের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিগত ১৬ বছর ধরে ভিন্ন মতাদর্শের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে আসছেন এবং বর্তমানে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বসে গুপ্তচরবৃত্তি করছেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ হাসানকে মৌখিকভাবে অফিসে আসতে নিষেধ করেন। তবে, পরবর্তীতে নাহিদ হাসান চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য বিভিন্ন বিভাগে আবেদন করেন এবং এর অনুলিপি জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও আহ্বায়কসহ অন্যান্য নেতাদের কাছে পাঠান।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এম জামাল মানবিক কারণে নাহিদ হাসানের কর্মস্থলে পুনঃযোগদানের জন্য জোর সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে বিএনপি নেতারা নাহিদ হাসানের সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পুনর্বহালের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। ফলে, নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিনুর রহমান নাহিদ হাসানকে যোগদান করাতে সম্মতি দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেছেন যে, বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বিএনপি নেতারা একজন অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার পক্ষে সুপারিশ করেছেন। তারা এই ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















