আসন্ন বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে গামছা, শাড়ি ও লুঙ্গি তৈরিতে এখন দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় তাঁতশ্রমিকরা। তবে এই কর্মব্যস্ততার মাঝেও সুতা, রঙ ও রাসায়নিক দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের কারণে লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন তাঁতপল্লি ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় সব কারখানায় হস্তচালিত ও পাওয়ারলুম মেশিনে পুরোদমে কাপড় উৎপাদন চলছে। নববর্ষের চাহিদাকে সামনে রেখে পাইকারদের আনাগোনাও বেড়েছে। তবে তাঁতশ্রমিকদের অভিযোগ, কাজের চাপ বাড়লেও সে অনুযায়ী মজুরি বাড়ছে না। বিশেষ করে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে কাজ ব্যাহত হওয়ায় তাদের দৈনিক আয় কমে যাচ্ছে, যা দিয়ে বর্তমান বাজারে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
তাঁত মালিকরা জানিয়েছেন, বাজারে কাপড়ের চাহিদা থাকলেও জেনারেটর চালাতে গিয়ে অতিরিক্ত ডিজেল খরচের কারণে উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। এর ওপর কাঁচামালের দামও চড়া। তাঁত বোর্ডের পক্ষ থেকে কিছু প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সুলভ মূল্যে কাঁচামাল নিশ্চিত করা গেলে দেশের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।
রিপোর্টারের নাম 

























