ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মহাসংকটে দেশের এভিয়েশন শিল্প: উত্তরণে সরকারের সহযোগিতা চায় এওএবি

জেট ফুয়েলের ক্রমবর্ধমান দাম, উচ্চ হারের হ্যাঙ্গার ভাড়া এবং কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতায় দেশের এভিয়েশন শিল্প চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি) এর বার্ষিক সাধারণ সভায় নেতারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, সিভিল এভিয়েশন নির্ধারিত বিভিন্ন উচ্চ ফি এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।

রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমান কঠিন সময় পার করতে হলে এভিয়েশন খাতের সকল অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি আইনের কিছু ধারা পুনর্বিবেচনা করায় তিনি সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এওএবির মহাসচিব মফিজুর রহমান বলেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত ফি দেশের বেসরকারি এভিয়েশন খাতকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপ এবং বিশেষ নীতি সহায়তা প্রয়োজন। সভায় ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং ইমপ্রেস এভিয়েশনসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

মহাসংকটে দেশের এভিয়েশন শিল্প: উত্তরণে সরকারের সহযোগিতা চায় এওএবি

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জেট ফুয়েলের ক্রমবর্ধমান দাম, উচ্চ হারের হ্যাঙ্গার ভাড়া এবং কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতায় দেশের এভিয়েশন শিল্প চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি) এর বার্ষিক সাধারণ সভায় নেতারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, সিভিল এভিয়েশন নির্ধারিত বিভিন্ন উচ্চ ফি এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।

রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমান কঠিন সময় পার করতে হলে এভিয়েশন খাতের সকল অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি আইনের কিছু ধারা পুনর্বিবেচনা করায় তিনি সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এওএবির মহাসচিব মফিজুর রহমান বলেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত ফি দেশের বেসরকারি এভিয়েশন খাতকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপ এবং বিশেষ নীতি সহায়তা প্রয়োজন। সভায় ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং ইমপ্রেস এভিয়েশনসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।