বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার বইমেলা’ এখনো পাঠক ও ক্রেতাদের সেভাবে আকর্ষণ করতে পারেনি। মেলার ১২ দিন অতিবাহিত হলেও ছুটির দিন ছাড়া বাকি সময় মেলা প্রাঙ্গণ অনেকটা জনশূন্য থাকছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রকাশকরা আশা করছেন, বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের উৎসবে মেলা প্রাঙ্গণ বইপ্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে।
গত ৩১ মার্চ নগরীর জিমনেসিয়াম মাঠে এই মেলার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এবারের মেলায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের ৯৬টি প্রকাশনা সংস্থা মোট ১৩১টি স্টল নিয়ে অংশ নিয়েছে। মেলার মঞ্চে প্রতিদিন রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব, লেখক সমাবেশ ও শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকলেও বই বিক্রির হার বেশ কম।
স্টল মালিকদের অভিযোগ, মেলায় আসা অধিকাংশ দর্শনার্থী বই কেনার চেয়ে ঘুরে বেড়ানো এবং সেলফি তোলাতেই বেশি আগ্রহী। এমনকি বইয়ের স্টলের তুলনায় খাবারের দোকানগুলোতে ভিড় বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে পহেলা বৈশাখের আমেজে মেলার চিত্র পাল্টে যাবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস আয়োজক ও প্রকাশকদের।
রিপোর্টারের নাম 
























