ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সুস্থ বিনোদন ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রসারে ইউজিসি চেয়ারম্যানের আহ্বান

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা এবং সুস্থ বিনোদন চর্চা জোরদার করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। জাতীয় দিবসগুলো উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত খেলাধুলা, বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শনিবার ইউজিসি আবাসিক এলাকায় আয়োজিত প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ ও শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. মামুন আহমেদ বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম কেবল আনন্দের খোরাক জোগায় না, বরং এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত কাজের মানসিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে ইউজিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়, যা একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প অনুমোদন: লক্ষাধিক কর্মসংস্থান ও বিপুল বিনিয়োগের আশা

সুস্থ বিনোদন ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রসারে ইউজিসি চেয়ারম্যানের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা এবং সুস্থ বিনোদন চর্চা জোরদার করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। জাতীয় দিবসগুলো উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত খেলাধুলা, বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শনিবার ইউজিসি আবাসিক এলাকায় আয়োজিত প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ ও শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. মামুন আহমেদ বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম কেবল আনন্দের খোরাক জোগায় না, বরং এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত কাজের মানসিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে ইউজিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়, যা একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়।