ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ফাইলজট নিরসনে ছুটির দিনেও অফিস করছেন জবি উপাচার্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্যাম্পাস নিরিবিলি থাকলেও, ঝুলে থাকা দাপ্তরিক ফাইলগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শনিবারও অফিস করছেন তিনি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) উপাচার্যের কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরের ফাইল পর্যালোচনা করছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রে স্বাক্ষর করছেন। উপাচার্যের এই কাজের প্রতি একাগ্রতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, এর ফলে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক স্থবিরতা কেটে যাবে।

ছুটির দিনে কাজ করার বিষয়ে উপাচার্য জানান, তার মূল লক্ষ্য হলো ফাইলজট কমিয়ে দাপ্তরিক কাজে গতি আনা। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে একই অফিসে একটি ফাইল চার মাস পর্যন্ত পড়ে থাকার নজির রয়েছে। সেই দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করতেই তার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। নিয়মিত সরাসরি তদারকির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে এই ধারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাতিলের হুঁশিয়ারি ইরানের

ফাইলজট নিরসনে ছুটির দিনেও অফিস করছেন জবি উপাচার্য

আপডেট সময় : ০৭:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্যাম্পাস নিরিবিলি থাকলেও, ঝুলে থাকা দাপ্তরিক ফাইলগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শনিবারও অফিস করছেন তিনি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) উপাচার্যের কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরের ফাইল পর্যালোচনা করছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রে স্বাক্ষর করছেন। উপাচার্যের এই কাজের প্রতি একাগ্রতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, এর ফলে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক স্থবিরতা কেটে যাবে।

ছুটির দিনে কাজ করার বিষয়ে উপাচার্য জানান, তার মূল লক্ষ্য হলো ফাইলজট কমিয়ে দাপ্তরিক কাজে গতি আনা। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে একই অফিসে একটি ফাইল চার মাস পর্যন্ত পড়ে থাকার নজির রয়েছে। সেই দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করতেই তার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। নিয়মিত সরাসরি তদারকির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে এই ধারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।