ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নুরনবী সরকারের উপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মামুননুর রশিদ মামুনু, উপজেলা সভাপতি সোহরাব আলী এবং সম্পাদক জাফর আলী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদে গিয়ে পিআইও-এর কাছে জানতে চান কেন তিনি সন্ধ্যায় অফিস করছেন। এই নিয়ে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মামুন ও তার সঙ্গীরা পিআইও এবং দপ্তরীকে কিল-ঘুষি মারেন।
ঘটনার পরপরই এর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু নেতাকর্মী সেখানে জড়ো হয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের উপর পাল্টা হামলা চালায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাজিদা বেগম এবং থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারীও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মারধরের শিকার দপ্তরী আইয়ুব আলী জানান, তার স্যারকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে এবং তিনি দরজা বন্ধ করতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার অভিযোগ করেছেন যে, মামুন এর আগেও তার কাছে বিভিন্ন সময় ভাগবাটোয়ারা চেয়েছিলেন এবং না দেওয়ায় তিনি খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মামুন তার অফিসে এসে অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন বলে তিনি জানান।
গণঅধিকার পরিষদ নেতা মামুনুর রশিদ মামুনু অবশ্য তার ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তায় জানান, সন্ধ্যায় অফিস করায় তিনি পিআইও অফিসে গিয়েছিলেন। সেখানে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তার উপর হামলা চালায়। এদিকে, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। থানা অফিসার ইনচার্জ আমানুল্লাহ আল বারী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রিপোর্টারের নাম 

























