নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গত জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গুলিতে নিহত রাকিব হত্যা মামলার চার্জশিট নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আদালতে যে চার্জশিট জমা দিয়েছে, তাতে মৃত ব্যক্তিদের আসামি করা হলেও কৌশলে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৩৫ জন সক্রিয় নেতাকে। এই ঘটনায় পুলিশের তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, চার্জশিটে অভিযুক্ত ১৬৬ জনের মধ্যে এমন তিনজনের নাম রয়েছে যারা বেশ আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা রোকন উদ্দিন এবং ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন বাবুর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ মামলার এজাহারভুক্ত অনেক প্রভাবশালী নেতা, যারা আন্দোলনের সময় মাঠে সক্রিয় ছিলেন, তাদের রহস্যজনকভাবে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে গুলিতে নিহত হন দাপা এলাকার যুবক রাকিব। এই ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শামীম ওসমানসহ ১৯৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছিলেন। তবে সিআইডির বর্তমান চার্জশিটে প্রকৃত অপরাধীদের বাদ দিয়ে মৃতদের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।
রিপোর্টারের নাম 























