ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ায় মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী নিয়োগে ৬ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

বগুড়া সদর উপজেলার কৈচড় সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী নিয়োগে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসী এবং নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী নাজির হোসেন নামের এক প্রার্থী জানান, নিয়োগ পরীক্ষার আগেই মাদ্রাসার সভাপতি রেজাউল হক ও সুপার লুৎফর রহমান তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। তিনি দিনমজুরের সন্তান হওয়ায় সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে বাদ দিয়ে অন্য এক প্রার্থীকে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত সভাপতি ও মাদ্রাসার সুপার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সংগৃহীত অর্থ মাদ্রাসার উন্নয়ন ফি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তারা এমন অনিয়ম চালিয়ে আসছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে কৃষিজমি ধ্বংস করে অপরিকল্পিত পাথর উত্তোলন, উদ্বেগ পরিবেশবাদীদের

বগুড়ায় মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী নিয়োগে ৬ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:৩১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়া সদর উপজেলার কৈচড় সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী নিয়োগে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসী এবং নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী নাজির হোসেন নামের এক প্রার্থী জানান, নিয়োগ পরীক্ষার আগেই মাদ্রাসার সভাপতি রেজাউল হক ও সুপার লুৎফর রহমান তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। তিনি দিনমজুরের সন্তান হওয়ায় সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে বাদ দিয়ে অন্য এক প্রার্থীকে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত সভাপতি ও মাদ্রাসার সুপার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সংগৃহীত অর্থ মাদ্রাসার উন্নয়ন ফি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তারা এমন অনিয়ম চালিয়ে আসছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।