ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান: দস্যুমুক্ত করতে তৎপর প্রশাসন

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। গত দেড় বছরে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর ৬১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল ২০২৬) কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জলদস্যু ও বনদস্যু দমন, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ সময় ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া, বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল, রেণুপোনা, হরিণের মাংস ও ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে এবং ২৯ জন শিকারিকে আটক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনা করা হচ্ছে। কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে এই অভিযান চলমান রয়েছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় মধ্যস্থতায় পাকিস্তান, বৈঠক নিয়ে কাটছে না ধোঁয়াশা

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান: দস্যুমুক্ত করতে তৎপর প্রশাসন

আপডেট সময় : ০১:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। গত দেড় বছরে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর ৬১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল ২০২৬) কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জলদস্যু ও বনদস্যু দমন, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ সময় ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া, বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল, রেণুপোনা, হরিণের মাংস ও ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে এবং ২৯ জন শিকারিকে আটক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনা করা হচ্ছে। কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে এই অভিযান চলমান রয়েছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।