ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উৎসবের আমেজ, কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আসন্ন টাঙ্গাইল সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তার আগমনের খবরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইল থেকে দেশব্যাপী কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলে পৌঁছে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা স্টেডিয়ামে কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন এবং সেখান থেকেই কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। পরে তিনি পৌর উদ্যানে কৃষিমেলারও উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। প্রিয় নেতাকে সরাসরি দেখার জন্য তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। শহরজুড়ে চলছে সাজসজ্জা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। স্টেডিয়ামে মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমেরি জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলের প্রবেশদ্বার মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই থেকে শহর বাইপাস পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার ফোর লেন সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া পুরাতন বাস টার্মিনাল থেকে সন্তোষের মওলানা ভাসানীর মাজার পর্যন্ত সড়কটিও সংস্কার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহরের জেলা সদর এলাকা, পার্ক বাজার এবং স্টেডিয়াম এলাকার সড়কগুলো মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রশাসন ও স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল ও এর আশপাশের এলাকা কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল ও এর আশেপাশে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষকদের উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। পহেলা বৈশাখের মতো একটি দিনে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের ক্রীড়াঙ্গনে উত্তেজনার পারদ: পিএসএল ও ম্যানইউ-লিডসের মহারণ

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উৎসবের আমেজ, কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আসন্ন টাঙ্গাইল সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তার আগমনের খবরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইল থেকে দেশব্যাপী কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলে পৌঁছে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা স্টেডিয়ামে কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন এবং সেখান থেকেই কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। পরে তিনি পৌর উদ্যানে কৃষিমেলারও উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। প্রিয় নেতাকে সরাসরি দেখার জন্য তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। শহরজুড়ে চলছে সাজসজ্জা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। স্টেডিয়ামে মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমেরি জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলের প্রবেশদ্বার মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই থেকে শহর বাইপাস পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার ফোর লেন সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া পুরাতন বাস টার্মিনাল থেকে সন্তোষের মওলানা ভাসানীর মাজার পর্যন্ত সড়কটিও সংস্কার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহরের জেলা সদর এলাকা, পার্ক বাজার এবং স্টেডিয়াম এলাকার সড়কগুলো মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য প্রশাসন ও স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল ও এর আশপাশের এলাকা কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল ও এর আশেপাশে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষকদের উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। পহেলা বৈশাখের মতো একটি দিনে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।