ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জে পুকুরে বিষ ঢেলে বিপুল পরিমাণ মাছ নিধন, দুই ভাই নিঃস্ব

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৮ হাজার মাছ মেরে ফেলেছে। এতে দুই ভাই, মো. রফিক মিয়া ও কাদির মিয়ার, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও বেঁচে থাকার অবলম্বন এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের আগরপুর পূর্বপাড়া গ্রামে। দরিদ্র এই দুই ভাই ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করে প্রায় আট মাস আগে ৭৫ শতাংশ জমির একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন।

এই পুকুরের মাছ বিক্রি করে তারা কোরবানির ঈদের পর একটি ছোট ঘর তৈরি, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ মেটানো এবং বৃদ্ধ মা-বাবার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু রাতের অন্ধকারে বিষ প্রয়োগে সব মাছ মারা যাওয়ায় তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। পুকুরের পানিতে হাজার হাজার মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে রফিক মিয়া কান্নায় ভেঙে পড়েন, আর কাদির মিয়া নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। স্থানীয়দের মতে, এই ঘটনায় প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এলাকাবাসী এই অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তির বিস্ময় আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র: যেভাবে আকাশপথে নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করে এই মারণাস্ত্র

কিশোরগঞ্জে পুকুরে বিষ ঢেলে বিপুল পরিমাণ মাছ নিধন, দুই ভাই নিঃস্ব

আপডেট সময় : ০১:৩১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৮ হাজার মাছ মেরে ফেলেছে। এতে দুই ভাই, মো. রফিক মিয়া ও কাদির মিয়ার, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও বেঁচে থাকার অবলম্বন এক নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের আগরপুর পূর্বপাড়া গ্রামে। দরিদ্র এই দুই ভাই ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করে প্রায় আট মাস আগে ৭৫ শতাংশ জমির একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন।

এই পুকুরের মাছ বিক্রি করে তারা কোরবানির ঈদের পর একটি ছোট ঘর তৈরি, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ মেটানো এবং বৃদ্ধ মা-বাবার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু রাতের অন্ধকারে বিষ প্রয়োগে সব মাছ মারা যাওয়ায় তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। পুকুরের পানিতে হাজার হাজার মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে রফিক মিয়া কান্নায় ভেঙে পড়েন, আর কাদির মিয়া নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। স্থানীয়দের মতে, এই ঘটনায় প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এলাকাবাসী এই অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।