মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এর ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামের কার্যক্রমে স্থবিরতা আসার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়েও বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোতে কন্টেইনার ও পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি থাকলেও চলতি অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে এসে সেই গতি থমকে গেছে। যদিও অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে প্রায় ৪.৭৫ শতাংশ এবং খোলা পণ্য খালাসে ৭.৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বিশেষ করে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চ মাসে রপ্তানি পণ্যবাহী কন্টেইনারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। বিদেশি ক্রেতারা বর্তমানে জ্বালানি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা খুঁজছেন, যা বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই বহুমুখী সংকটের ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























