বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারপারসন’স সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) দায়িত্ব পালনকারী মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তার নাম সংগঠনজুড়ে জোর আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিভিন্ন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যেও তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে।
যশোর অঞ্চলে জন্ম নেওয়া তরিকুল ইসলাম তারিকের বেড়ে ওঠা সাধারণ পরিবেশে। শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক ধাপ শেষ করে তিনি ভর্তি হন যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য আসেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি)। ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্সে অধ্যয়নরত তারিক। একাডেমিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি তিনি ছাত্ররাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সমানভাবে সক্রিয় থেকেছেন। তার এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে যথাক্রমে ৩.৬৫ ও ৩.৭৫ সিজিপিএ রয়েছে।
তারিকের রাজনৈতিক যাত্রা মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। হল রাজনীতিতে নেতৃত্বের সক্ষমতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তাকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে এসব যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কর্মী সমন্বয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। রাজনীতির মাঠে তরিকুল ইসলাম তারিককে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এনেছে তার আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি। বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন। রাজপথের আন্দোলনে একাধিকবার গুলিবিদ্ধ ও আহত হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























