মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এবার আনারসের রেকর্ড পরিমাণ ফলন হয়েছে। চা-বাগানের কোলঘেঁষা পাহাড়ের টিলাগুলোতে হানিকুইনসহ বিভিন্ন জাতের আনারসের সোনালি আভা দেখা গেলেও চাষিদের চোখেমুখে এখন দুশ্চিন্তার ছাপ। পর্যাপ্ত হিমাগার ও আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা না থাকায় পচনশীল এই ফল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাগান মালিকরা।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ২২৩ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন ছাড়িয়েছে ২২ হাজার মেট্রিক টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬৮ কোটি টাকার উপরে। তবে ভরা মৌসুমে বাজারে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ আনারস চলে আসায় দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। স্থানীয় চাষি ও শ্রমিকদের মতে, হিমাগার থাকলে তারা ফল সংরক্ষণ করে লাভজনক দামে বিক্রি করতে পারতেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শ্রীমঙ্গলের আড়তগুলোতে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার আনারস লেনদেন হয়। কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই অঞ্চলে একটি আধুনিক হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে আনারস চাষ শুধু কৃষকের ভাগ্যই বদলাবে না, বরং এটি জাতীয় অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। বর্তমানে সংরক্ষণের অভাবে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণ ফল নষ্ট হচ্ছে, যা কৃষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে।
রিপোর্টারের নাম 

























