পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার চার দিন পর সোমবার সকালে নিহতের বাবা ইমানুল প্রামাণিক বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় এই মামলাটি করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল রাতে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর স্কুলপাড়া এলাকায় একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসী সোহাগের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে কুপিয়ে এবং গুলি করে ঘটনাস্থলেই হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহত সোহাগ ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের স্থানীয় সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
রিপোর্টারের নাম 























