ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী মামুনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

সৌদি আরবে চলমান সংঘাতের বলি হয়ে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি প্রবাসী আবদুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরেছে। সোমবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার কফিন এসে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিহত মামুন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি সৌদি আরবের আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে অবস্থিত ওই কোম্পানির শ্রমিক ক্যাম্পে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্থানীয় ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় গত ১৭ মার্চ দিবাগত রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, মামুনের একটি ছোট ছেলেসন্তান রয়েছে। এই একই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া এবং টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নামে আরও দুই বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মামুনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য দেশে আনা হলো। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী মামুনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

আপডেট সময় : ১১:০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবে চলমান সংঘাতের বলি হয়ে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি প্রবাসী আবদুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরেছে। সোমবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার কফিন এসে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিহত মামুন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি সৌদি আরবের আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে অবস্থিত ওই কোম্পানির শ্রমিক ক্যাম্পে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্থানীয় ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় গত ১৭ মার্চ দিবাগত রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, মামুনের একটি ছোট ছেলেসন্তান রয়েছে। এই একই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া এবং টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নামে আরও দুই বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মামুনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য দেশে আনা হলো। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।