রাজধানীর পল্টন থানায় মানব পাচার আইনে দায়ের করা মামলায় এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা এবং ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিকে সতর্কতার সাথে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ছয় দিনের সময় স্বল্পতার কারণে এজেন্সির কার্যক্রম, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ, মেডিকেল ফি বাবদ অর্থ গ্রহণ এবং ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত তথ্যাদি পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি। তাই আসামিকে নিজ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আরও চার দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানালেও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, সিন্ডিকেট করে অর্থ আত্মসাৎ ও মানব পাচারের অভিযোগে গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খান মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (অব.), আহমেদ ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর ও সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ এবং ক্যাথা-এর নাম উল্লেখ ছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















