পাবনার ঈশ্বরদীতে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ (২৬) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাড়া গোপালপুর এলাকায়।
নিহত সোহাগ উপজেলার বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে গোপালপুর রেললাইনের পাশে একটি চায়ের দোকানে সোহাগ তার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল সন্ত্রাসী সেখানে এসে সোহাগের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হামলার সময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দও শোনা গিয়েছিল। ঘটনাস্থলেই সোহাগের মৃত্যু হয়।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, নিহত সোহাগ পাবনা-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর একজন সক্রিয় সমর্থক ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























