রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৫৯৭.৩ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ ছয়জনকে আটক করেছে ১৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। আটককৃতরা হলেন মো. মনির হোসেন (৩২), কাজী মাসুদ (২৩), সাইদুল ইসলাম (২৬), ইলিয়াছ খাঁন (৩৩), সাব্বির মিয়া (২২) এবং মো. কামাল হোসেন (৪৪)।
বুধবার সকালে বিমানবন্দরের সম্মুখস্থ সরকারি খোলা পার্কিং এলাকার দক্ষিণ পাশে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি মাইক্রোবাসে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় এপিবিএন সদস্যরা তাদের আটক করেন। আটককৃত ব্যক্তিদের এপিবিএন অফিসে নিয়ে তল্লাশি করা হলে তাদের হেফাজত থেকে সর্বমোট ৫৯৭.৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো ২২ ক্যারেট মানের এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৪০ টাকা।
ধৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে রিসিভার হিসেবে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।
তাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, ধৃত আসামিরা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ উপায়ে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ আমদানি করে নিজেদের হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সকল ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে সংঘটিত যেকোনো চোরাচালান কার্যক্রম প্রতিরোধে আমাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।”
রিপোর্টারের নাম 


















