বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং অনেকের জন্য আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামের রিলস ফিচার নতুন প্রজন্মের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করেছে। সৃজনশীল ভিডিও তৈরির মাধ্যমে সহজেই ফলোয়ার বাড়ানো যায়, যা পরবর্তীতে আয়ের পথ খুলে দেয়। অনেকেই মনে করেন, বড় সংখ্যক ফলোয়ার না থাকলে আয় করা সম্ভব নয়, তবে বাস্তবে মাত্র এক হাজার ফলোয়ার থাকলেও বিভিন্ন উপায়ে আয় শুরু করা যেতে পারে।
ভিডিওর প্রথম কয়েক সেকেন্ডে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। একটি প্রশ্ন, চমকপ্রদ তথ্য বা মজার দৃশ্য দিয়ে শুরু করলে দর্শক পুরো ভিডিওটি দেখতে আগ্রহী হন। সাধারণত ছোট এবং গতিময় ভিডিও বেশি জনপ্রিয় হয়, তাই ভিডিওকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাণবন্ত রাখার চেষ্টা করা ভালো। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নিয়মিত রিল পোস্ট করলে অ্যালগরিদম সেই কনটেন্ট বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। পাশাপাশি, একটি নির্দিষ্ট বিষয় যেমন- রান্না, ফিটনেস, ভ্রমণ, বিউটি টিপস, শিক্ষা বা মোটিভেশনাল কনটেন্ট বেছে নিলে দ্রুত একটি নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠী তৈরি হয়।
রিলসের সাফল্য অনেকাংশে দর্শকের প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। ভিডিওতে দর্শকদের মন্তব্য করতে, শেয়ার করতে বা সেভ করতে উৎসাহিত করা উচিত, কারণ এই ধরনের প্রতিক্রিয়া অ্যালগরিদমকে বোঝায় যে কনটেন্টটি মানুষ পছন্দ করছে। অপ্রয়োজনীয় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার না করে প্রাসঙ্গিক কয়েকটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
যখন ফলোয়ার সংখ্যা এক হাজার থেকে পাঁচ হাজারের মধ্যে পৌঁছায়, তখন বিভিন্ন উপায়ে আয় করা সম্ভব হয়। এই পর্যায়ে অনেক ক্রিয়েটর ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। ব্র্যান্ড প্রচারের জন্য স্পনসরড রিল তৈরি করা, বিভিন্ন পণ্যের প্রচারের মাধ্যমে কমিশন আয় করা, অথবা নিজের তৈরি ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করা—এগুলো সবই আয়ের পথ হতে পারে। এছাড়া, অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন অ্যামাজন বা দারাজের পণ্য প্রচার করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেও কমিশন আয় করা যায়। অনেক ব্র্যান্ড ক্রিয়েটরদের দিয়ে তাদের পণ্যের জন্য ভিডিও বানায়, যা ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























