দেশে যখন হামের প্রাদুর্ভাব মহামারি আকার ধারণ করেছে এবং অসংখ্য শিশুর মৃত্যু ও হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, ঠিক তখনই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখছেন এবং একটি ভয়াবহ মানবিক দুর্যোগের আশঙ্কা করছেন।
সম্প্রতি হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের মানুষ, বিশেষ করে শিশু রয়েছে এমন পরিবারগুলো তীব্র আতঙ্কে ভুগছে। যদিও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে, তবুও রোগটির তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমন জটিল সময়ে ডেঙ্গুর ক্রমবর্ধমান বিস্তার পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাম নিয়ন্ত্রণ এবং ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক গুরুতর সংকট দেখা দেবে। তাদের মতে, হামের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে ‘জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করা উচিত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ১৯৯৯ সাল থেকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও, ২০১৯ সাল থেকে এর বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়ে যায়। প্রথমদিকে এটি মৌসুমি ও শহুরে রোগ হিসেবে পরিচিত থাকলেও, ২০১৯ সালের মহামারির পর থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বছরব্যাপী এবং শহর ছাড়িয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























