প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিবেচনা করা যাবে না। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে তেজগাঁওয়ে নিজ দফতরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়া কেবল স্লোগান নয়, বরং এটি বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষা সরকারের। তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বশীল থাকতে হবে এবং এ বিষয়ে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যা জনগণের আস্থা অর্জন করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পুলিশ প্রশাসন হলো সরকারের আয়না। তাই দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, বরং ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশের সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির মূল ভিত্তি।
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সময়কার পরিস্থিতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন একটি ভঙ্গুর পরিস্থিতি পেয়েছি। প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই ছিল এ চিত্র। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্র যেমনটি হয়, সেরকম অবস্থা পেয়েছি।” তিনি মনে করেন, রূপপুর, টানেল এবং পদ্মা সেতুতে অপ্রয়োজনীয় খরচ না হলে সবক্ষেত্রেই আরও ভালো কিছু করা যেত। তিনি জানান, সরকার ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি ধাপ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে সরকার। জনগণ সরকারকে কীভাবে দেখে বা মূল্যায়ন করে, তা অনেকটাই নির্ভর করে পুলিশের ভূমিকার ওপর। তাই বাহিনীর সদস্যদের মানবিক গুণাবলী রপ্ত করতে হবে। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















