বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার। সরকার প্রতি মাসে একবার জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করে থাকে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও দাম বাড়ানো হবে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সারা বিশ্বে দাম বেড়েছে। বিরাজমান পরিস্থিতিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি জনগণকে কিছুটা স্বস্তি দিতে। কতটুকু সম্ভব হয়, তা জনগণকে অবহিত করা হবে। সরকারের সব ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান আছে বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে (৩০ মার্চ পর্যন্ত) মোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ টন। এই মজুদ থাকা জ্বালানি তেল দিয়ে আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনির হোসেন আরও জানান, এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আসবে। ফলে আগামী মাসেও জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। অকটেন ও পেট্রলের ব্যবহার তুলনামূলক কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং অনলাইন ক্লাস চালুর মতো পদক্ষেপও আলোচনায় রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























