ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জ্বালানি সংকটে রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধের দাবি মালিকদের

জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনার জটিলতা নিরসনে রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সংগঠনটির মালিকরা।

পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তাদের চাহিদামতো জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক সময় ট্যাংকার পুরোপুরি ভর্তি না করে আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হয়, যার ফলে পরিবহন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হন।

তারা জোর দিয়ে বলেন, পরিবহন ব্যয় কমাতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে চেম্বার পূর্ণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। একইসাথে, একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

পাম্প মালিকরা আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটলেও, এটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাদের দাবি, যদি কোনো পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখা হয়, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পাম্পের ডিলারশিপ বাতিলের জন্য সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক পরিচয়মুক্ত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জ্বালানি সংকটে রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধের দাবি মালিকদের

আপডেট সময় : ০৫:০৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনার জটিলতা নিরসনে রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সংগঠনটির মালিকরা।

পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তাদের চাহিদামতো জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক সময় ট্যাংকার পুরোপুরি ভর্তি না করে আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হয়, যার ফলে পরিবহন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হন।

তারা জোর দিয়ে বলেন, পরিবহন ব্যয় কমাতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে চেম্বার পূর্ণ করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। একইসাথে, একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

পাম্প মালিকরা আরও অভিযোগ করেন যে, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটলেও, এটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাদের দাবি, যদি কোনো পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখা হয়, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পাম্পের ডিলারশিপ বাতিলের জন্য সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানান।