পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়। সাক্ষাতের সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও সচিব মো. রায়হান কাওছার উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশে পরিবেশ সুরক্ষায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বায়ু, পানি ও শব্দ দূষণ রোধ এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। মন্ত্রী জানান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলোর মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ, অপসারণ এবং মাতুয়াইলের মতো ল্যান্ডফিল সাইটগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ব্যবস্থাপনাসহ প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাসে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে পরিবেশ মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি এবং প্রতি বছর ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি নিরলসভাবে কাজ করছে।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ফরাসি সরকারের অর্থায়নে এ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে ফ্রান্সের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ, বন ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে সবুজ বনায়ন, প্রযুক্তি বিনিময়, দূষণ রোধ, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























