কানাডার অটোয়ায় যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ২০২৬। এ উপলক্ষে গত শনিবার অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এই অনুষ্ঠানে কানাডার সংসদ সদস্যবৃন্দ, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকেরা উপস্থিত ছিলেন। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদীয় সচিব রবার্ট অলিফ্যান্ট প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
হাইকমিশনার মো. জসীম উদ্দিন তাঁর স্বাগত বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদ, নির্যাতিতা বীরাঙ্গনা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতা কেবল একটি লক্ষ্য নয়, বরং এটি একটি নিরন্তর দায়িত্ব। হাইকমিশনার আরও উল্লেখ করেন, গত ৫৫ বছর ধরে বাংলাদেশ এই স্বাধীনতাকে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধান অতিথি রবার্ট অলিফ্যান্ট তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিশ্বমঞ্চে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকে দেশটির অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আনুষ্ঠানিকভাবে কেক কাটা হয়, যা উদযাপনে এক উৎসবমুখর মাত্রা যোগ করে।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘বাংলাদেশ: বারো মাসে তেরো পার্বণ’ শীর্ষক একটি আকর্ষণীয় নৃত্যনাট্য প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশের ঋতুচক্র ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এই নান্দনিক উপস্থাপন অতিথিদের মুগ্ধ করে। এর আগে সকালে বাংলাদেশ হাউসে হাইকমিশনার মিশনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























