ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জনবান্ধব পুলিশ গড়তে নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও জনবান্ধব নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, নতুন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা ও জ্যেষ্ঠতাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

শনিবার (২৭ মে) সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপারদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখা কর্মকর্তাদের পদক বিতরণ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে নবীন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। তিনি ব্রিটিশ আমলের সেকেলে পুলিশ আইন পরিবর্তন করে সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের কথা উল্লেখ করেন। নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘অপরাধীর মনে ভয় আর নিরপরাধীর মনে শান্তি’ জাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং ডিজিটাল অপরাধ দমনে নবীন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জনের তাগিদ দেন। আইনের প্রতি অবিচল আস্থা, নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা কর্মের মূল ভিত্তি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনের চোখে সবাই সমান – তা সে রাজনৈতিক কর্মী হোক বা প্রান্তিক কৃষক। তিনি চেইন অফ কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বকে একটি বাহিনীর শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের শান্তি প্রস্তাবের জবাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে

জনবান্ধব পুলিশ গড়তে নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

আপডেট সময় : ০১:৫০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

একটি বৈষম্যহীন ও জনবান্ধব নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, নতুন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা ও জ্যেষ্ঠতাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

শনিবার (২৭ মে) সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপারদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখা কর্মকর্তাদের পদক বিতরণ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে নবীন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। তিনি ব্রিটিশ আমলের সেকেলে পুলিশ আইন পরিবর্তন করে সময়োপযোগী আইন প্রণয়নের কথা উল্লেখ করেন। নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘অপরাধীর মনে ভয় আর নিরপরাধীর মনে শান্তি’ জাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং ডিজিটাল অপরাধ দমনে নবীন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জনের তাগিদ দেন। আইনের প্রতি অবিচল আস্থা, নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা কর্মের মূল ভিত্তি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনের চোখে সবাই সমান – তা সে রাজনৈতিক কর্মী হোক বা প্রান্তিক কৃষক। তিনি চেইন অফ কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বকে একটি বাহিনীর শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।