ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ: প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পূরণে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বেকারত্ব কমাতে এবং তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করার একটি বড় পদক্ষেপ। এই লক্ষ্য অর্জনে নয়টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই), বিদেশে কর্মসংস্থান, জ্বালানি, খুচরা ব্যবসা, সুনীল কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং অপ্রতিষ্ঠিত বা ইনফরমাল খাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে এই কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ প্রশংসার যোগ্য হলেও, অল্প সময়ে এত বিশাল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আমেরিকা-ইসরাইলের যুদ্ধ পরিস্থিতি এই কর্মপরিকল্পনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে, সরকারের কর্মসংস্থান বিষয়ক পরিকল্পনাকে নতুন করে সাজানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিএনপি তাদের ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ নীতির ওপর জোর দিয়ে অর্থনীতি সংস্কার, শিল্প-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের শান্তি প্রস্তাবের জবাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ: প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

আপডেট সময় : ১০:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পূরণে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বেকারত্ব কমাতে এবং তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করার একটি বড় পদক্ষেপ। এই লক্ষ্য অর্জনে নয়টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই), বিদেশে কর্মসংস্থান, জ্বালানি, খুচরা ব্যবসা, সুনীল কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং অপ্রতিষ্ঠিত বা ইনফরমাল খাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে এই কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ প্রশংসার যোগ্য হলেও, অল্প সময়ে এত বিশাল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আমেরিকা-ইসরাইলের যুদ্ধ পরিস্থিতি এই কর্মপরিকল্পনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে, সরকারের কর্মসংস্থান বিষয়ক পরিকল্পনাকে নতুন করে সাজানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিএনপি তাদের ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ নীতির ওপর জোর দিয়ে অর্থনীতি সংস্কার, শিল্প-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।