সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, তামাকের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং জীবনকে আলিঙ্গন করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে বিদ্যমান আইনের সংখ্যা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বেশি, তবে আইনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হতে হবে যাতে আমরা সেগুলো মেনে চলতে পারি। শুক্রবার বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান হলে নারী মৈত্রী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া সত্ত্বেও এই অপরাধ কমছে না। একইভাবে, ২০০৫ সালে তামাকবিরোধী আইন প্রণয়ন হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি, কারণ এখনো অনেককে রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খেতে দেখা যায়। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, সিগারেট ও তামাক সেবন মানুষের জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়, তাই তিনি এটি অপছন্দ করেন। বিভিন্ন নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য কিডনিসহ নানা ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় বলেও তিনি সতর্ক করেন। যারা মাদককে ‘না’ বলেন, তাদের তিনি সাধুবাদ জানান।
ফারজানা শারমীন তরুণ প্রজন্মকে তামাক ও মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের নেশা শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি করে এবং মেধার বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তিনি আজকের তরুণদের ‘বটবৃক্ষের’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। পরিশেষে, প্রতিমন্ত্রী তরুণ, যুবক, নারী ও শিশুদের রক্ষা করতে এবং তাদের বিপথে যাওয়া থেকে ফিরিয়ে আনতে পরিবারিক সচেতনতার ওপর জোর দেন। তিনি মনে করেন, প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদের এখন থেকেই নিজ নিজ সন্তানদের এ বিষয়ে সচেতন করে তোলা উচিত।
রিপোর্টারের নাম 
























