ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

চাহিদার কারণে অনেক সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়: জ্বালানি মন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন যে, অনেক সময় চাহিদার তারতম্যের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সিরাজগঞ্জে ৬৮ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্ট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির অভাব নয়, বরং অনেক সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়ায় বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে সেগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে যে চাহিদা রয়েছে, সেই অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে এবং পবিত্র রমজান মাসে কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়নি। তবে, ঝড়ের কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সেটিকে লোডশেডিং হিসেবে গণ্য করা উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে জ্বালানির চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। যে পেট্রোল পাম্পে এক লরি তেল লাগতো, সেখানে এখন দুই ঘণ্টার মধ্যে সব তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, তেল সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সাথে কথা বলে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে, হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পেছনে দুর্নীতি এবং কালোবাজারির হাত রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। ইতিমধ্যেই সিরাজগঞ্জে এই সংক্রান্ত অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে এমন অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।

এসময় সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ ৬৮ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের শান্তি প্রস্তাবের জবাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে

চাহিদার কারণে অনেক সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়: জ্বালানি মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন যে, অনেক সময় চাহিদার তারতম্যের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সিরাজগঞ্জে ৬৮ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্ট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির অভাব নয়, বরং অনেক সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়ায় বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে সেগুলো বন্ধ রাখতে হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে যে চাহিদা রয়েছে, সেই অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে এবং পবিত্র রমজান মাসে কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়নি। তবে, ঝড়ের কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সেটিকে লোডশেডিং হিসেবে গণ্য করা উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে জ্বালানির চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। যে পেট্রোল পাম্পে এক লরি তেল লাগতো, সেখানে এখন দুই ঘণ্টার মধ্যে সব তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, তেল সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সাথে কথা বলে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে, হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পেছনে দুর্নীতি এবং কালোবাজারির হাত রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। ইতিমধ্যেই সিরাজগঞ্জে এই সংক্রান্ত অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে এমন অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।

এসময় সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ ৬৮ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।