ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থের সংস্থান: আইএমএফের সঙ্গে সরকারের আলোচনা

বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি আমদানিতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ সংস্থানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। ওয়াশিংটনে আসন্ন বৈঠকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেও অনুভূত হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে ব্যয় সংকোচনসহ বিভিন্ন সংস্কারমূলক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তির ১৮৬ কোটি ডলার ছাড়ের বিষয়টি আগামী জুলাই মাসের পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত হবে। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার বর্তমানে নানা সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করা এবং খরচ কমানোর লক্ষ্যে আগামী বাজেটে বিশেষ প্রতিফলন দেখা যাবে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা চাপ থাকলেও সঠিক সময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে ঈদুল ফিতরের সময় দ্রব্যমূল্য ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় কোনো সমস্যা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সকলকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ২৩৮ ইরানি নাবিক

জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থের সংস্থান: আইএমএফের সঙ্গে সরকারের আলোচনা

আপডেট সময় : ০৩:৪২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি আমদানিতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ সংস্থানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান। ওয়াশিংটনে আসন্ন বৈঠকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেও অনুভূত হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে ব্যয় সংকোচনসহ বিভিন্ন সংস্কারমূলক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তির ১৮৬ কোটি ডলার ছাড়ের বিষয়টি আগামী জুলাই মাসের পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত হবে। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার বর্তমানে নানা সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করা এবং খরচ কমানোর লক্ষ্যে আগামী বাজেটে বিশেষ প্রতিফলন দেখা যাবে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা চাপ থাকলেও সঠিক সময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে ঈদুল ফিতরের সময় দ্রব্যমূল্য ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় কোনো সমস্যা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সকলকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।