রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) জুলাই গণআন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও পিস্তল ঠেকানোর অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আটককৃত ব্যক্তি সোলাইমান, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং পূর্বে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
রবিবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড এলাকা থেকে একদল শিক্ষার্থী তাকে আটক করে। প্রক্টর দপ্তর ও শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণআন্দোলনের সময় মাদার বখস হলের কিছু শিক্ষার্থীকে নির্যাতন এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সারারাত মারধরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষার্থী জানান, ক্লাস শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্যারিস রোড দিয়ে যাওয়ার সময় অতীতে জুলাই আন্দোলনের সময় নির্যাতনের অভিযোগ থাকা এই ছাত্রলীগ নেতাকে দেখতে পান। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার মোবাইলে নিষিদ্ধ সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান এ বিষয়ে বলেন, “আটককৃত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের সময় এক শিক্ষার্থীর মাথায় পিস্তল ঠেকানোর অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে আসে। তার মোবাইল থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণও পাওয়া গেছে। এরপর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।”
প্রক্টর আরও জানান, বিষয়টি এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রশাসন গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে মতিহার থানার ওসি আব্দুল মালেক নিশ্চিত করেছেন, আটককৃত সোলাইমান নিষিদ্ধ সংগঠনের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার আসামি। কিছুদিন আগে শাহ মখদুম এলাকায় একটি মিছিলে তার উপস্থিতির অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তাকে থানায় রাখা হয়েছে এবং আদালতে সোপর্দ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























