স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক বাস্তবায়িত ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং (ক্রিম) প্রকল্প এবং এর অধীনে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লোকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার (ক্রিলিক)-এর কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর রিজিওনাল টিমের বাংলাদেশ মিশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ৬ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত পরিচালিত এই মিশনের আওতায় জিসিএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নেয়। এছাড়াও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন কর্মসূচিও সম্পন্ন করা হয়।
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর রিজিওনাল ম্যানেজার মিস ডায়ান জেগাম-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ক্লাইমেট ইনভেস্টমেন্ট প্রিন্সিপাল ড. বাপন ফখরুদ্দিন। মিশনের বৈঠকগুলোতে জলবায়ু অর্থায়ন, জলবায়ু বিনিয়োগ, সম্ভাব্য নতুন প্রকল্প উন্নয়ন, প্রকল্প পাইপলাইন সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
মিশনের অংশ হিসেবে ৯ ও ১০ জুন জিসিএফ রিজিওনাল মূল্যায়ন টিম সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় অংশগ্রহণ করে এবং জিসিএফের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল উপকূলীয় অঞ্চলে বাস্তবায়িত জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রম, জীবিকা উন্নয়ন উদ্যোগ, দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করে। তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং জলবায়ু ঝুঁকি হ্রাসে প্রকল্পগুলোর ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-এর যুগ্মসচিব ড. কাজী শাহজাহান, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আসসাদিকজামান, ক্রিম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল খালেক, নির্বাহী প্রকৌশলী মেহমুদ মুরশেদ উল আল আমিন, কেএফডব্লিউ-এর আরবান পোর্টফোলিও কো-অর্ডিনেটর এস কে তৌহিদুর রহমান এবং জিসিএফ-এর লিয়াজোঁ অফিসার জুয়েল মাহমুদ। এছাড়াও স্থানীয় পৌরসভা ও এলজিইডির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি ও অর্জন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম, তাই এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রিপোর্টারের নাম 

























