ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি

দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সরকার। একটি অসাধু চক্র ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি বরদাশত করা হবে না এবং মজুত নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত তেল এবং চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আরও ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মজুত আছে। এই মজুত দিয়ে কোনো নতুন আমদানি ছাড়াই আগামী ২০ থেকে ২২ দিন অনায়াসেই স্বাভাবিক চাহিদা মেটানো সম্ভব। নিয়মিত নতুন তেলবাহী জাহাজ বন্দরে ভিড়ছে, ফলে সরবরাহের ধারাবাহিকতা পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ থাকবে।

এদিকে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ইতিমধ্যে বেশ কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতার প্রমাণ পেয়েছে। যারা তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অবৈধ বাজারে তেল সরবরাহের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ২৩৮ ইরানি নাবিক

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সরকার। একটি অসাধু চক্র ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি বরদাশত করা হবে না এবং মজুত নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত তেল এবং চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আরও ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মজুত আছে। এই মজুত দিয়ে কোনো নতুন আমদানি ছাড়াই আগামী ২০ থেকে ২২ দিন অনায়াসেই স্বাভাবিক চাহিদা মেটানো সম্ভব। নিয়মিত নতুন তেলবাহী জাহাজ বন্দরে ভিড়ছে, ফলে সরবরাহের ধারাবাহিকতা পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ থাকবে।

এদিকে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ইতিমধ্যে বেশ কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতার প্রমাণ পেয়েছে। যারা তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অবৈধ বাজারে তেল সরবরাহের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।