ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রেন-বাস সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ ১২ জনের প্রাণহানি

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন-বাস সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন যাত্রী। নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের এক পরিবারের মা ও তাঁর দুই শিশুসন্তানসহ তিনজন রয়েছেন। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহতদের পরিবারে, ঈদ আনন্দ পরিণত হয়েছে গভীর বেদনায়।

রবিবার (২১ মার্চ) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল মামুন পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে থাকা একটি মেইল ট্রেন দ্রুতগতিতে এসে বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্য লাইজু আক্তার (২৬), তাঁর তিন বছরের মেয়ে মরিয়ম এবং ছয় বছরের মেয়ে খাদিজা মর্মান্তিকভাবে মারা গেছেন। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুরের পাতিবিলা গ্রামে।

অন্য নিহতদের মধ্যে নোয়াখালীর রাতুল চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার সোহেল রানা, যশোরের সিরাজুল ইসলাম ও কোহিনুর আক্তার, নোয়াখালীর নজরুল ইসলাম রায়হান, লক্ষ্মীপুরের সাইয়েদা আক্তার, ঝিনাইদহের জুয়াত বিশ্বাস, মাগুরার পচিয়ার রহমান এবং চাঁদপুরের তাজুল ইসলাম রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা

কুমিল্লায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রেন-বাস সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ ১২ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০৩:২৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন-বাস সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন যাত্রী। নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের এক পরিবারের মা ও তাঁর দুই শিশুসন্তানসহ তিনজন রয়েছেন। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহতদের পরিবারে, ঈদ আনন্দ পরিণত হয়েছে গভীর বেদনায়।

রবিবার (২১ মার্চ) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল মামুন পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে থাকা একটি মেইল ট্রেন দ্রুতগতিতে এসে বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্য লাইজু আক্তার (২৬), তাঁর তিন বছরের মেয়ে মরিয়ম এবং ছয় বছরের মেয়ে খাদিজা মর্মান্তিকভাবে মারা গেছেন। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুরের পাতিবিলা গ্রামে।

অন্য নিহতদের মধ্যে নোয়াখালীর রাতুল চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার সোহেল রানা, যশোরের সিরাজুল ইসলাম ও কোহিনুর আক্তার, নোয়াখালীর নজরুল ইসলাম রায়হান, লক্ষ্মীপুরের সাইয়েদা আক্তার, ঝিনাইদহের জুয়াত বিশ্বাস, মাগুরার পচিয়ার রহমান এবং চাঁদপুরের তাজুল ইসলাম রয়েছেন।