ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা

ওমান সাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের উত্তজনা তৈরি হয়েছে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হাসান আহমাদিয়ান সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনার পর পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আহমাদিয়ান জানান, ইরান আগেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল যে তারা তাদের জাহাজের ওপর কোনো অবৈধ অবরোধ মেনে নেবে না। মার্কিন প্রশাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যেভাবে জাহাজ জব্দ বা হামলা চালাচ্ছে, তাকে তিনি ‘যুদ্ধের শামিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই নীতি অব্যাহত রাখে, তবে ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে না চাইলেও বর্তমান মার্কিন প্রশাসন তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার কৌশল নিয়েছে। জাহাজ জব্দের মতো উসকানিমূলক পদক্ষেপগুলো এই অঞ্চলের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরিজ বাঁচানোর মিশনে আজ কিউইদের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ওমান সাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের উত্তজনা তৈরি হয়েছে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হাসান আহমাদিয়ান সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনার পর পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আহমাদিয়ান জানান, ইরান আগেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল যে তারা তাদের জাহাজের ওপর কোনো অবৈধ অবরোধ মেনে নেবে না। মার্কিন প্রশাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যেভাবে জাহাজ জব্দ বা হামলা চালাচ্ছে, তাকে তিনি ‘যুদ্ধের শামিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই নীতি অব্যাহত রাখে, তবে ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে না চাইলেও বর্তমান মার্কিন প্রশাসন তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার কৌশল নিয়েছে। জাহাজ জব্দের মতো উসকানিমূলক পদক্ষেপগুলো এই অঞ্চলের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।