ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হবে যুদ্ধাপরাধ: ট্রাম্পকে কেনেথ রথের সতর্কবার্তা

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া হুমকিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাবেক প্রধান কেনেথ রথ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা নিষিদ্ধ। ট্রাম্প যদি সত্যিই এমন পদক্ষেপ নেন, তবে তা হবে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।

রথ আরও ব্যাখ্যা করেন যে, যদিও মার্কিন প্রশাসন এসব স্থাপনাকে সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত (দ্বৈত ব্যবহার) বলে দাবি করতে পারে, তবুও বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে সেখানে হামলা চালানো আইনত বৈধ নয়। তিনি মনে করেন, ট্রাম্প মানবিক আইনের তোয়াক্কা না করলেও বিশ্ব সম্প্রদায় এবং খোদ মার্কিন সরকারকেও এই নিয়মগুলো মেনে চলার দায়বদ্ধতা রয়েছে।

তবে কেনেথ রথের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। তিনি ট্রাম্পের হুমকিকে সমর্থন করে বলেন, এসব অবকাঠামো বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং এগুলোকে যুদ্ধাপরাধ বলা ভিত্তিহীন ও হাস্যকর। মূলত ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প, যা নিয়ে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিনামূল্যে নয়: বিশ্বকে ইরানের হুঁশিয়ারি

ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হবে যুদ্ধাপরাধ: ট্রাম্পকে কেনেথ রথের সতর্কবার্তা

আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া হুমকিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাবেক প্রধান কেনেথ রথ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা নিষিদ্ধ। ট্রাম্প যদি সত্যিই এমন পদক্ষেপ নেন, তবে তা হবে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।

রথ আরও ব্যাখ্যা করেন যে, যদিও মার্কিন প্রশাসন এসব স্থাপনাকে সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত (দ্বৈত ব্যবহার) বলে দাবি করতে পারে, তবুও বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে সেখানে হামলা চালানো আইনত বৈধ নয়। তিনি মনে করেন, ট্রাম্প মানবিক আইনের তোয়াক্কা না করলেও বিশ্ব সম্প্রদায় এবং খোদ মার্কিন সরকারকেও এই নিয়মগুলো মেনে চলার দায়বদ্ধতা রয়েছে।

তবে কেনেথ রথের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। তিনি ট্রাম্পের হুমকিকে সমর্থন করে বলেন, এসব অবকাঠামো বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং এগুলোকে যুদ্ধাপরাধ বলা ভিত্তিহীন ও হাস্যকর। মূলত ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প, যা নিয়ে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে।