দেশের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেল ও এলপিজি খালাস কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। গত ৩ মার্চ থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত মোট ২৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ সফলভাবে খালাস সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে একটি জাহাজের জ্বালানি খালাস চলছে এবং আরও একটি জাহাজ বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ রয়েছে। এছাড়াও, দুটি জ্বালানিবাহী জাহাজ সমুদ্রপথে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানিয়েছে, গত ৩ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত ২৫টি জাহাজের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এসব জাহাজে করে মূলত এলএনজি, এলপিজি, ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল এবং অকটেন আনা হয়েছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থা ও কলকারখানা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
শিপিং সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানিতে বর্তমানে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বন্দরে জাহাজের আগমনে কোনো স্থবিরতা নেই এবং খালাস প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে এবং বহির্নোঙরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ অবস্থান করছে। এর মধ্যে LPG SEVAN ওমান থেকে বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (LPG) নিয়ে এসেছে এবং AB OLIVIA থাইল্যান্ড থেকে ‘বেস অয়েল’ নিয়ে এসেছে।
শিপিং এজেন্টদের দেওয়া তথ্য মতে, জ্বালানি ভর্তি আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে এবং আগামী ২৫ মার্চ এই জাহাজ দুটি বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই জাহাজগুলোতে থাকা জ্বালানি দেশের মজুদে যুক্ত হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষি সেচ মৌসুমে জ্বালানির কোনো সংকট হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, এক মাসের কম সময়ে ২৫টি জাহাজের খালাস সম্পন্ন হওয়া একটি বড় সাফল্য এবং এর ফলে দেশে জ্বালানির কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ নেই।
রিপোর্টারের নাম 

























