পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী চাটগাঁইয়া মেজবানের আয়োজন, যা এক ভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে। রবিবার (২২ মার্চ) বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে শত শত নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে এই মেজবানের আসর বসেছে।
চট্টগ্রামের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং সিটি মেয়রসহ বিএনপির প্রভাবশালী নেতারাও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের বাসভবনে নেতাকর্মীদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছেন। দুপুর নাগাদ নেতাদের বাড়ি ও কমিউনিটি সেন্টারগুলো নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মেহমানি কেবল আপ্যায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি স্থানীয় রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলায় পরিণত হয়। মন্ত্রী-এমপিদের বাসভবনে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও নীতিনির্ধারকদের উপস্থিতিতে কৌশল নির্ধারণ, সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং নানা রাজনৈতিক আলোচনা জমে ওঠে। ঈদের পরদিন এই মেজবান চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
জানা গেছে, রবিবার দুপুরে নগরের মেহেদিবাগের বাসভবনে মেজবানের আয়োজন করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী। বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, সিটি মেয়র, মহানগর ও জেলা পর্যায়ের নেতারা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পার্শ্ববর্তী জেলা-উপজেলা থেকে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এসে মন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন এবং পরে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।
নগরীর কাজির দেউড়ি সংলগ্ন স্মরণিকা ক্লাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনও চাটগাঁইয়া মেজবানের আয়োজন করেছেন। এই অনুষ্ঠানেও দলীয় নেতাকর্মী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেবেন। তিনি বিগত বছরগুলোতেও এমন আয়োজন করে আসছেন।
এছাড়াও, দুপুর ১১টা থেকে কাজির দেউড়ির ভিআইপি ব্যাঙ্কুয়েটে মেজবানের আয়োজন করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি। এখানে দলীয় নেতাকর্মী ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের জনসাধারণকে বিশেষভাবে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই ঐতিহাসিক আয়োজন আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
রিপোর্টারের নাম 

























